Subscribe Us

বাপ চেপে ধরতো আর ছেলে ধর্ষ ণ করতো

http://clintonfolders.com/jalil
দেশে ফিরছেন ৮১ নারী ও ৪৭ পুরুষ। নির্মম নির্যাতনের চিহ্ন আর তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরেছেন তারা।এদের মধ্যে তিনজন নারীর ঠিকানা হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি)।নির্যাতিত এসব নারীদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা খুবই নাজুক।
বিমান থেকে অবতরণের পর তাদের নিয়ে যাওয়া হয় কুর্মিটোলা হাসপাতালে। পরে সেখান থেকে ঢামেক ওসিসিতে স্থানান্তর করা হয়। এই তিন নারীর মধ্যে দুজনের পরিচয় পাওয়া গেলেও এক নারীর পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি। তিনি বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেছেন। কথাবলতে পারছেন না।গুরুতর অসুস্থ্য এক নারী জানি’য়েছেন, তার নাম আদুরী। এছা’ড়া একই অবস্থায় ফিরেছেন, সুনামগ’ঞ্জের হালিমা, কিশোরগ’ঞ্জের ভৈরবের ফাতেমা। এসব নারীর প্রত্যেকের বয়স ২০ বছরের নিচে। দেশে

ফেরার পর তাদের ব্র্যাক মাই’শন প্রোগ্রাম ও প্রবাসী কল্যাণ ডেক্সের তত্ত্বাবধানে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়া হয়।ফেরত আসা নারী’রা বলেন, সৌ’দি নিয়োগক’র্তা তাদের ওপর নি’র্মম নি’র্যাতন চালিয়েছে। বাপ-ছেলে একই সাথে ধ’র্ষণ করে, এমন পশু’বৃত্তি দেখে আম’রা নির্বাক। তারা প্রধান, মন্ত্রীর কাছে আকুতি জানিয়ে বলেন, আর কোন মেয়ে যেনো সৌ’দি আরব না যায়। বলেন, দেশে ভি’ক্ষা করে খাবো, তবু বিদেশ যাবো না।এদিকে ফেরত যুবকরা অ’ভিযোগ করেন তাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। জন’প্রতি পাঁচ থেকে ছয় লাখ টাকা করে নিয়ে তাদেরকে সৌদি আরব পাঠানো হয়েছিলো। কিন্তু সেখানে তাদের কাজ নেই, বেতন নেই, আকামা দেয়া হয়নি।

আবার অনেকের আকামা থাকা সত্ত্বেও অন্যত্র কাজ করলেই পু’লিশ ধরে দেশে পাঠিয়ে দিয়েছেন। ফিরে আসা যুবকরা ডির্পো’টেশন ক্যাম্পে অব’স্থান করছিলেন।উল্লেখ্য, রোববার রাত ৯টা ৫০ মিনিটে এয়ার এরাবিয়ার এ৯-৫১৫ ফ্লা’ইটে করে তারা হযরত শাহ’জালাল ‘বিমান’বন্দরে পৌঁছান। নি’র্যাতি’তরা সৌদি আরবের রিয়াদ ইমি’গ্রেশন ক্যাম্পে ছিলেন। নি’র্যাতনের শিকার হয়ে তারা পালিয়ে আ’শ্রয় নেয় ওই ক্যাম্পে। এর আগে গত ৮-১৩ জা’নুয়ারি সৌ’দি আরব থেকে ৩২৪ না’রী দেশে ফিরেছেন।ভুটান। এই দেশটার নাম শু’নলেই চোখের সামনে ভেসে উঠে প্রকৃতি, পাহাড়, প্যা’গোডার ছবি। এই দেশটি বি’শ্বের সবথেকে সু’খী দেশগু’লিরমধ্যে অন্যতম। তবে এই ভুটা’নেই এমন এক আজব রী’তির প্রচলন রয়েছে যা শুনলে আপনি অ’বাক হতে বাধ্য হবেন। এই আজব রী’তির নাম হল বো’মেনা।বোমেনা হল গভীর রাতের এক শিকার।

ভুটা’নের একদম প্রত্যন্ত জায়,গাগু’লিতেই এই রীতি প্রচলন আছে। এই প্রথা হল, পুরুষেরা রাতের অন্ধ’কারে মেয়ের সন্ধা’নে ঘোরে। মেয়েদের ঘরে ঢুকে যায় ও তাদের শারী’রিক স’ম্প’র্কে বাধ্য করে।

যদি পরের দিন সকাল অবধি ওই পুরুষ ওই মহিলার ঘরেই থাকে, তাহলে দুই পরিবারের সম্মতিতে তাঁদের বিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু যদি

ভোরের আলো ফোটার আগেই ওই পুরুষ ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যায়
https://clintonfolders.com/911454