ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী নিজেকে জেকেজির
চেয়ারম্যান পরিচয় দিলেও ডিবির তদন্তে তা পাওয়া যায়নি। তদন্ত চলাকালেই এ বিষয়ে
বিস্তারিত জানিয়েছে ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বাতেন।তিনি জানান,
জেকেজির চেয়ারম্যান নয়, আহ্বায়ক হিসেবে ডা. সাবরিনার সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। তার
মামলার তদন্তের অনেক অগ্রগতি হয়েছে। এ মামলায় আমরা দ্রুত চার্জশিট দিতে পারব।
এদিকে, জেকেজির প্রতারণা মামলায় ডা.
সাবরিনার কাছ থেকে যেসব তথ্য পাওয়া গেছে সেসব নিয়ে এবং জেকেজিকে অনুমোদন দেয়ার
বিষয়ে ইতিমধ্যে কিছু কাগজপত্র চেয়ে ডিবি কার্যালয়ে ডেকে আনা হয়েছে সদ্য পদত্যাগ
করা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ ও
অধিদফতরের বর্তমান অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানাকে।
তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবির যুগ্ম-কমিশনার মাহবুব আলম।
স্বাস্থ্যখাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে উদ্যোগ
নিয়েছে সরকার। এরই মধ্যে মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত সচিবসহ কয়েকজনকে বদলি করা
হয়েছে। পদত্যাগ করেছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক আবুল কালাম
আজাদ। পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আমিনুল হাসানকে সরিয়ে দেয়ার প্রক্রিয়া
শুরু হয়েছে।
এ বিষয়ে বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের
সঙ্গে আলাপকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘ডিজি (আবুল
কালাম আজাদ) পদত্যাগ করেছেন। নিয়ম অনুযায়ী এটা জনপ্রশাসনে গেছে। জনপ্রশাসন
সিদ্ধান্ত নেবে পরবর্তী পদক্ষেপ তারা কী নেবে।’
উল্লেখ্য, করোনাভাইরাস পরীক্ষার নামে
জেকেজি হাসপাতাল ও রিজেন্ট হাসপাতালের প্রতারণার পর দুই প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ ব্যক্তিরা
আগেই গ্রেফতার হয়েছেন। জেকেজির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা ও রিজেন্টের চেয়ারম্যান শাহেদসহ
সংশ্লিষ্টরা এখনো কারাগারে রয়েছেন।
